তিনি বলেন, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিতে ইরান ইতোমধ্যেই বড় ধরনের ছাড় দিয়েছিল। সে সময় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল, যা দিয়ে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি সম্ভব নয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পারমাণু সংস্থার (আইএইএ) বিস্তৃত পরিদর্শনের ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘পারমাণবিক ইস্যু আলোচনার জন্য উন্মুক্ত।
তবে তেহরানের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট শর্তও তুলে ধরা হয়েছে। ইরান বলছে, পারমাণবিক কর্মসূচিতে যেকোনো ছাড়ের বিনিময়ে দেশটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করতে হবে।
ইজাদি জোর দিয়ে বলেন, ‘এটাই তেহরানের প্রত্যাশা। ইরানের কাছে এগুলো কোনো গৌণ বিষয় নয়, বরং যেকোনো চুক্তির কেন্দ্রীয় অংশ।’