মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কার্যকরভাবে সফল হয়েছে এবং তিনি তেহরানকে এই পরিস্থিতিতে ‘হার মেনে নিতে’ আহ্বান জানিয়েছেন।
মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি Scott Bessent জানান, গত বছরের মার্চে ট্রাম্প এই অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের নির্দেশ দেন এবং প্রায় তিন সপ্তাহ আগে আবারও চাপ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের তেল ক্রেতা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে সতর্কবার্তা দিয়েছে যে, তারা শিল্পখাত ও ব্যাংকের ওপর দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপে প্রস্তুত।
অন্যদিকে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের প্রস্তাবকে ‘আবর্জনা’ বলে আখ্যা দেন এবং একে অকার্যকর বলে মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই অর্থনৈতিক অভিযান এবং ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ দেশটির অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি ডেকে আনবে। তবে ইরান পাল্টা বলেছে, এসব পদক্ষেপ কেবল বৈশ্বিক তেলের দাম বাড়াবে।
এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত সংযম দেখিয়েছে কেবল কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিতে। কিন্তু Strait of Hormuz ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের বেশি ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেও পেট্রোলের গড় মূল্য চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।