একাত্তরের মার্চে যতই দিন যাচ্ছিল ততই বাঙালি স্বাধীনতার জন্য আগ্রাসী হয়ে ওঠে। কেননা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য। রাজনৈতিক বৈষম্য এবং নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছিল। এমন একটা অবস্থায় বাঙালির মুক্তি বা স্বাধীনতার বিকল্প কোন পথ ছিল না।
এইদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর বাসভবনে বিদেশী সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। সাংবাদিকদের কাছে সত্তুরের নির্বাচন পরবর্তী পাকিস্তান সরকারের বৈরী অবস্থান তুলে ধরেন।
সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ( তৎকালীন ইকবাল হল) প্রাঙ্গণে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উদ্যোগে কর্মীসভা হয়। কর্মীসভায় ছাত্রলীগ ও ডাকসু নেতৃবৃন্দের স্বাক্ষরিত স্বাধীন- বাংলাদেশ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের এক বিবৃতিতে বাঙালি সৈন্য, ইপিআর ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের প্রতি পাকিস্তানী উপনিবেশবাদী সরকারের সাথে সম্পর্ক না রাখার আহ্বান জানায়।
এছাড়া একইদিন সকালে,লেখক-শিল্পী মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ’-এর ব্যানারে এ বাংলার লেখক ও শিল্পীরা মিলিত হন। রাজধানীতে তারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এদিকে নিউইয়র্কে প্রবাসী বাঙালি ছাত্ররা জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করে মহাসচিবের কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন।
সম্পাদক
সাতকাহন