এ সম্পর্কিত
You might also like
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ওপর ভাবনাচিন্তা করছেন, যদি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ২৬ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় আলোচনায় বসবে, যা সামরিক সংঘাত এড়ানোর শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আলোচনা ব্যর্থ হলে সীমিত লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালানোর পাশাপাশি বছরের শেষ দিকে বড় সামরিক অভিযানও সম্ভাব্য।
সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সদরদপ্তর, পারমাণবিক স্থাপনা ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত। প্রাথমিক হামলার উদ্দেশ্য হতে পারে ইরানকে পারমাণবিক সক্ষমতা ছাড়তে চাপ দেওয়া। বড় হামলার ক্ষেত্রে ইরান ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিশোধমূলক হামলার নির্দেশ দিতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক সমাবেশ গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে বিমানবাহী রণতরী, যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন। বিশ্লেষকেরা এটিকে ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি হিসেবে দেখছেন।
ইরানও রাশিয়ার সঙ্গে ৫০ কোটি ইউরোর অস্ত্রচুক্তি করেছে, যার আওতায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চার কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি সামরিক প্রস্তুতিও জোরদার হচ্ছে। পরিস্থিতি আগামী বৈঠক ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
সাতকাহন ডেস্ক
Recover your password.
A password will be e-mailed to you.