মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে। গত শুক্রবার ইরানের মধ্যাঞ্চলে একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হরমুজ প্রণালির কাছে পারস্য সাগরে আরেকটি এ-১০ ‘ওয়ার্থগ’ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।
একই দিনে দুটি উন্নত যুদ্ধবিমান হারানোর ঘটনাকে সামরিক বিশ্লেষকরা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এফ-১৫ বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার সময়ের কাছাকাছি সময়ে হরমুজ প্রণালির কাছে এ-১০ বিমানটি আছড়ে পড়ে।
এ-১০ ‘ওয়ার্থগ’ মূলত ছোট ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য ব্যবহৃত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এটি হরমুজ প্রণালিতে কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নিচ্ছিল।
বিধ্বস্ত এ-১০ বিমানের একমাত্র পাইলটকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, এফ-১৫ বিমানে থাকা দুই ক্রুর মধ্যে একজনকে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্স উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে, তবে অপরজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
এ ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করা হয়েছে বলে হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভেট জানিয়েছেন। তবে ঘটনাগুলোর বিস্তারিত কারণ বা প্রেক্ষাপট সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক ক্ষতি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।
সাতকাহন ডেস্ক