Satkahonbd | সাতকাহন
সত্যের সন্ধানে

বিভাজন নয় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে: তারেক রহমান

জনগণকে কনভিন্স করা আমাদের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা এতে সফল হয়েছি।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান একথা বলেন।

আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আমরা এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছি যখন দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুবই দুর্বল। সকল প্রতিষ্ঠান অকার্যকর হয়ে আছে। যা আমাদের চলার পথে বাধা। তবে জনগণের শক্তি সঙ্গে থাকলে কোনো বাধাই আমাদের থামাতে পারবে না।

তারেক রহমান বলেন, দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে কোনো অপশক্তি যাতে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে। সেই জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

তারেক রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলগুলোই গণতন্ত্রের বাতিঘর। সরকার ও বিরোধীদল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে।

দেশ গঠনে সব গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পথ ও মতের পার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্যই দেশের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতার জন্ম দেয়।

তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ আজ বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। এই বিজয় সাধারণ জনগণের। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হবে।

তিনি নতুন সরকারের মূল লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন—ফ্যাসিবাদের আমলে ধ্বংস করে দেয়া রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পুনরায় সচল করা। এবং জনগণের কাছে সম্পূর্ণ জবাবদিহিমূলক হওয়া।

বিজয়-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত ৫১টি রাজনৈতিক দলসহ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ’র সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর অব হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

সাতকাহন ডেস্ক

You might also like