Donald Trump ও Xi Jinping–এর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে কৌতূহল। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট নিয়ে এই বৈঠক থেকে কোনো ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের আগে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি ছিল তেলের বাজারের দিকে। যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সামান্য বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলারের ওপরে এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই ১০১ ডলারের বেশি লেনদেন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, বাণিজ্য ইস্যুর পাশাপাশি ট্রাম্প চীনকে ইরানের ওপর প্রভাব খাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত নিরসনে ভূমিকা রাখতে আহ্বান জানাতে পারেন। তবে দীর্ঘদিনের কৌশলগত মিত্র Iran–এর ওপর বেইজিং কতটা চাপ প্রয়োগ করবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
এদিকে Strait of Hormuz কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ বেড়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়। বিশ্লেষকদের মতে, প্রণালিটি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তৈরির ঝুঁকি রয়েছে।
বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি, ইরান যুদ্ধ এবং Taiwan–এ মার্কিন অস্ত্র বিক্রির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও রয়েছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেলের মজুত দ্রুত কমছে এবং চলতি বছরে বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হতে পারে। এর ফলে বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।