মঙ্গলবার নিজের প্রথম প্রতিক্রিয়ায় কাঞ্চন লিখেছেন, ‘আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা যারা নতুন সরকার গড়তে চলেছেন। এটা মানুষের রায়। হয়তো মানুষের অনেক অভিযোগ, অনুযোগ, না পাওয়া, হতাশা থেকে মানুষ এই পরিবর্তন এনেছে। আমি আশা রাখব নতুন সরকার মানুষের পাশে থেকে কাজে থেকে সাধারণ মানুষের সব আশা পূরণ করবে।
সামাজিক মাধ্যমে তার পোস্ট নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে। কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘দাদা কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়ের ছেলে হেরে যাওয়ায় বেশি খুশি আপনি সত্যি বলুন?’ আবার কেউ লিখেছেন, ‘তাহলে কবে জয়েন করবেন?’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, ‘স্যার আপনি বেঁচে গিয়েছেন খুব জোর। আপনি দুর্দান্ত আর্টিস্ট সেই ভাবেই থাকবেন।
একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ছিলেন কাঞ্চন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দলীয় টিকিটে উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়কও হন তিনি। তবে পরে ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনায় আলোচনায় আসেন এবং সমালোচনার মুখেও পড়েন।
এক পর্যায়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার একটি বিতর্কিত ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, যেখানে প্রচারের সময় তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। যদিও পরে তৃণমূলের আরেক সাংসদ ও অভিনেতা দেবের হয়ে প্রচারেও দেখা গেছে তাকে।
২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকায় সক্রিয় রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরেই ছিলেন কাঞ্চন।