চাঁদাবাজি কাণ্ডে আলোচনায় আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিফাত উল্লাহ রিমান্ডে নেওয়ার এই আদেশ দেন।
একই মামলায় গ্রেপ্তার অন্য তিন আসামির রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। তাঁরা হলেন— প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার।
এই চারজনের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির জন্য কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরমান আলীর করা ৫ দিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের আদালতে হাজির করা হয়।
শুনানি শেষে আদালত রিয়াদের দুই দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন ও অন্যদের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন। তবে প্রত্যেকের জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করেন। পরে তিনজনকে আবার কারাগারে নেওয়া হয়। রিয়াদকে আজই রিমান্ডে নেওয়া হবে বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
রিমান্ড আবেদন বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেন এবং প্রাথমিক তদন্তেও মামলার ঘটনার বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই করা হয়নি। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের পূর্ণ নাম-ঠিকানা ও আসামিদের অবস্থানের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য নিবিড়ভাবে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ এবং অভিযান পরিচালনার জন্য তাদের পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডের একান্ত প্রয়োজন।
এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত শুক্রবার আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রিয়াদসহ ১১ জনের নামোল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন গত ২৬ ফেব্রুয়ারি। এতে অজ্ঞাতনামা ১০/২২ জনকে আসামি করা হয়।
সাতকাহন ডেস্ক